...|...|...

বিশ্ব

জার্মানিতে সাড়ে ৬ লাখ পদে চাকরির সুযোগ, আবেদন করবেন কীভাবে

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:৩২
Shares
জার্মানিতে সাড়ে ৬ লাখ পদে চাকরির সুযোগ, আবেদন করবেন কীভাবে

ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার পদ শূন্য আছে। যারা সেখানে ক্যারিয়ার গড়তে ও স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চান, তাদের জন্য এটি বড় সুযোগ।

সম্প্রতি দুবাইয়ের দুসিত থানি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘গালফ নিউজ লেভেলআপ’ সম্মেলনের এক আলোচনায় এ তথ্য জানান ওয়াই-অ্যাক্সিসের পরিচালক ক্লিন্ট খান।

তিনি জানান, পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) শূন্য পদের সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। এর মধ্যে জার্মানিতেই আছে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার, অর্থাৎ ইইউর মোট চাহিদার প্রায় ২৫ শতাংশ। এতে বোঝা যায়, দেশটিতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা কতটা বেশি।

সহজ পথ ‘অপরচুনিটি কার্ড’

দক্ষ কর্মীদের জন্য জার্মানিতে যাওয়ার অন্যতম সহজ উপায় এখন ‘অপরচুনিটি কার্ড’। এটি চাকরি খোঁজার জন্য দেওয়া বিশেষ রেসিডেন্স পারমিট।

এই কার্ডে ইইউর বাইরের যেকোনো দেশের নাগরিক আগে থেকে চাকরির প্রস্তাব বা চুক্তি ছাড়াই যোগ্য কাজ খুঁজতে ১২ মাস পর্যন্ত জার্মানিতে থাকতে পারেন।

ক্লিন্ট খানের ভাষ্য, কার্ড নিয়ে জার্মানিতে গিয়ে সরাসরি চাকরি খোঁজা যায়। শুরুতে খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ থাকে।

পরে পূর্ণকালীন চাকরি পাকা হলে এবং নিয়োগকর্তা স্পনসর করতে রাজি হলে কার্ডটিকে সহজেই নির্দিষ্ট ওয়ার্ক পারমিটে রূপান্তর করা যায়।

কারা আবেদন করতে পারবেন

জার্মানিতে স্বীকৃত বিদেশি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে অথবা পয়েন্টভিত্তিক পদ্ধতির মাধ্যমে এই কার্ডের জন্য আবেদন করা যায়।

পয়েন্ট পদ্ধতিতে আবেদনকারীর স্বীকৃত একাডেমিক বা ভোকেশনাল ডিগ্রি থাকতে হয়। সেখানে থাকার সময় নিজের খরচ চালানোর মতো পর্যাপ্ত অর্থও দেখাতে হয়।

পয়েন্ট নির্ধারণে পেশাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, বয়স ও ভাষাদক্ষতা প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

স্থায়ী বসবাসে ইইউ ব্লু কার্ড

উপযুক্ত চাকরি নিশ্চিত করতে পারলে স্থায়ী বসবাসের অন্যতম প্রধান পথ ‘ইইউ ব্লু কার্ড’। নির্দিষ্ট বেতনের শর্ত পূরণ করে এমন চাকরির প্রস্তাব পাওয়া উচ্চশিক্ষিত কর্মীদের জন্যই মূলত এটি তৈরি।

ক্লিন্ট খান জানান, ব্লু কার্ডধারীরা তুলনামূলক দ্রুত স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পান। বর্তমান নিয়মে শর্ত পূরণ করলে ২৭ মাস পর এই অনুমতি মেলে।

আবেদনকারীর জার্মান ভাষায় ‘বি-১’ স্তরের দক্ষতা থাকলে সময় কমে দাঁড়ায় ২১ মাসে।