চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ৯টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা, মতামত ও পরামর্শ শুনেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা, আবাসন, পরিবহনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সেবা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে ‘মিট দ্য ভাইস-চ্যান্সেলর’ শীর্ষক এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় সমাজবিজ্ঞান অনুষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সভায় উপাচার্যের সাথে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী।
সভায় শিক্ষার্থীরা অনুষদের বিভিন্ন সমস্যা, শিক্ষা কার্যক্রম ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিজেদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) তাদের বক্তব্য শোনেন এবং সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে কাজ চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর এবং বৈশ্বিক র্যাংকিংয়ে অবস্থান উন্নত করাই প্রশাসনের অন্যতম লক্ষ্য।
তিনি বলেন, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা গ্রহণ, ওবিই কারিকুলাম কার্যকর করা, গবেষণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সেবা ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনার কাজ চলছে। পরিবহন, আবাসন, দ্রুতগতির ইন্টারনেট, অনলাইন সার্টিফিকেট ও হলের আসন ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই কয়েকটি অনুষদে পরীক্ষামূলকভাবে অটোমেশন চালু করা হবে, পরে পর্যায়ক্রমে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে তা কার্যকর করা হবে।
তিনি জানান, টিএসসি নির্মাণকাজ শিগগির শুরু হবে এবং নতুন আবাসিক হল নির্মাণের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।
উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গবেষণায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সুযোগ বাড়াতে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন সেল গঠন করা হয়েছে।


