...|...|...

জাতীয়

ক্ষুদ্র-উগ্র একটি গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: দেবপ্রিয়

ক্ষুদ্র-উগ্র একটি গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: দেবপ্রিয়

Times Today
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ভোর রাত ৪:৩০ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ভোর রাত ৪:১৯
Shares
ক্ষুদ্র-উগ্র একটি গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: দেবপ্রিয়


অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বর্তমানে একটি ক্ষুদ্র ও উগ্র গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ও অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় নির্বাচন ২০২৬: আগামী সরকারের জন্য নাগরিক সুপারিশ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।

আমলাতন্ত্রকে পুরোনো বন্দোবস্তের সবচেয়ে বড় রক্ষক উল্লেখ করে  দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এই আমলাতন্ত্রকে ফিরে আসার সবচেয়ে বড় সুযোগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকার যে সংস্কারের কথা বলেছিল, তা কার্যকরে যে সক্ষমতা ও অংশীজনের অংশগ্রহণ দরকার সেটা তারা দেখাতে পারল না। শেষ পর্যন্ত তারা নতুন শক্তির কথা বলে একটি ক্ষুদ্র ও উগ্র গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে গেল।

তিনি জানান, নতুন বন্দোবস্তে প্রাধান্য পাওয়া সংস্কারের সবকিছুই ছিল উপরি কাঠামো। এজন্য তারা বলেছেন, শাসনতান্ত্রিক ভাষা আনতে হবে। গণতন্ত্রকে ঠিক করতে হলে সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে অথবা আমলাতন্ত্রের যে আচরণ আছে সেগুলো বদলাতে হবে। কিন্তু তা হয়নি।

এ গবেষক বলেন, যারা নতুন বন্দোবস্তের কারিগর হতে চেয়েছিলেন তারা পুরোনো বন্দোবস্তের অংশ পেয়ে গেলেন। তারা নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় ঢুকে গেলেন। ওই ব্যয়বহুল নির্বাচনের অংশ হয়ে গেলেন। তারা মনে করলেন, আগামী দিনে হয়তো কিছুটা আগানো যাবে। এই সুযোগে যারা পুরোনো বন্দোবস্তের ধারক-বাহক ছিল তাদের কিন্তু আবার উত্থান হলো।

দেবপ্রিয় বলেন, শুধু উপরিকাঠামো পরিবর্তন করে নতুন বন্দোবস্ত করা যায় না। এটার পক্ষের শক্তিকে সংগঠিত করতে হয়। তার জন্য নতুন রাজনীতি লাগে।

দেশের গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিডিয়া কমিশনের কোনো সিদ্ধান্তই বাস্তবায়ন হয়নি। মিডিয়া কমিশনের অন্যতম প্রস্তাব ছিল, মিডিয়া হাউসগুলো নিজেদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। সে যদি তার নিজের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করে অন্যের কাছে আর্থিক স্বচ্ছতা চাওয়ার অধিকার তার সীমিত হয়ে যায়।

ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য নাগরিক সুপারিশ তুলে ধরে দেবপ্রিয় বলেন, আমাদের ইশতেহারে নীতি কাঠামোর কথা বলেছি এবং সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি দিয়ে সেগুলো বাস্তবায়নের পথনির্দেশিকা দিয়েছি। এই ইশতেহারে ভিন্নতা হলো, এটা বাস্তবায়নে কত খরচ হতে পারে সেটার একটা মূল্যায়ন করেছি এবং ওই টাকা সংস্থানের সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।