কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সাহেব আলী নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের আরও এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক নাদিরা সুলতানা আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে দণ্ডপ্রাপ্তদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. হাফিজুল ইসলাম মুনী।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন সাহেব আলী। পথে পূর্বশত্রুতার জেরে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন।
এ ঘটনার দুই দিন পর নিহতের ভাই বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৯ অক্টোবর কুমারখালী থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক কামাল হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত ১২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া মামলার ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে এবং অপর দুই আসামিকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত সাহেব আলীর পরিবারের সদস্যরা।


