যুক্তরাষ্ট্রে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একই সাথে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানায়, দুই দেশের সংঘাতকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এখন চরমে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের খামিস মুশাইত শহরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চারবার জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি ও সৌদি বাহিনীর মধ্যেও লড়াই জোরদার হয়েছে।
পাল্টাপাল্টি হামলায় স্থবির হয়ে পড়েছে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরের নৌপথ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি জাহাজে হামলার দাবি করেছে তেহরান।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় পাঁচটি ইরানি তেল ট্যাংকার ডুবে যায়। নৌপথ অবরুদ্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
যুদ্ধ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে। এমন পরিস্থিতিতে ডেমোক্র্যাটদের সুবিধা করে দিতে ইরান নির্বাচনে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন ট্রাম্প।
বুধবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ইরান আর বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না এবং নির্বাচনের পরপরই এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে।
যদিও হোয়াইট হাউজের শীর্ষ উপদেষ্টারা ভিন্ন বার্তা দিচ্ছেন। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ব্যক্তিগত আলোচনায় ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন। তাদের মতে, ২০২৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি পুরোটা সময়ই এই সংঘাত টেনে নিয়ে যেতে হতে পারে।


