...|...|...

বিশ্ব

অশালীন নৃত্য প্রদর্শন

আল-আকসা মসজিদে ১৫০০ ইহুদির জোরপূর্বক প্রবেশ

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:০৯ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:১১
Shares
আল-আকসা মসজিদে ১৫০০ ইহুদির জোরপূর্বক প্রবেশ

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি দখলদার পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ চত্বরে জোরপূর্বক প্রবেশ করে নজিরবিহীন তাণ্ডব চালিয়েছেন কয়েক ডজন ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারী (সেটলার)। ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা রাফা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে আল-আকসার মাগরেবি গেট দিয়ে এই অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে। তবে এর আগে গত রবিবার এক বিশাল ও ন্যাক্কারজনক অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে প্রায় ১,৫০০ জন উগ্রপন্থী বসতিস্থাপনকারী ও রাব্বি মসজিদ চত্বরে প্রবেশ করে উসকানিমূলক তালমুডিক আচার-অনুষ্ঠান ও প্রার্থনা করেন। বিশেষ করে ঐতিহাসিক কটন মার্চেন্টস গেট (বাব আল-কাত্তানিন)-এর কাছাকাছি এলাকায় তারা এসব অপকর্ম চালান।

পবিত্র এই প্রাঙ্গণের ঐতিহাসিক ও আইনগত স্থিতাবস্থা চিরতরে পরিবর্তন করার দীর্ঘমেয়াদি অপচেষ্টার অংশ হিসেবে বসতিস্থাপনকারীরা চত্বরে ‘উদ্ভিদ নিবেদন’ নিয়ে আসেন। এসময় তারা উসকানিমূলক স্লোগান দেন, অশালীন নৃত্য করেন এবং সমবেতভাবে সেজদা করে পবিত্র জায়গার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেন।

এই পরিকল্পিত অনুপ্রবেশকে নির্বিঘ্ন করতে পুরোনো শহর এবং আল-আকসা মসজিদ চত্বরের চারপাশে নজিরবিহীন কড়া সামরিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে ইসরায়েলি বাহিনী। এর ফলে সাধারণ ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের প্রবেশাধিকার ও স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে আল-আকসা চত্বরে পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের হানা দেওয়ার প্রবণতা চরম আকার ধারণ করেছে। এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর হিব্রু নববর্ষের আড়ালে ৪,৬০০-এর অধিক এবং গত ২০ সেপ্টেম্বর ইয়ম কিপুর উপলক্ষে প্রায় ১০০ জন উগ্রপন্থী সেটলার আল-আকসা চত্বর অবমাননা করেছিলেন।

জেরুজালেম গভর্নরেটের ভয়াবহ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের এই স্বল্প সময়ে মোট ৪০,৬৬১ জন বসতিস্থাপনকারী জোরপূর্বক আল-আকসা মসজিদ চত্বরে হানা দিয়েছেন। একই সময়ে ফিলিস্তিনি ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মসজিদমুখী হওয়া রোধ করতে প্রায় ৮০০টি অন্যায় বহিষ্কার ও নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করেছে দখলদার ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।