...|...|...

সারাদেশ

আওয়ামী লীগের নেতারাও মদ খায়, কর্মীরাও খায়: স্পিকার

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:০৪ | আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১১
Shares
আওয়ামী লীগের নেতারাও মদ খায়, কর্মীরাও খায়: স্পিকার

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, গত পনেরো বছরে ঘরে ঘরে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতারাও মাদক খায়, কর্মীরাও মাদক সেবন করে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে ভোলার তজুমদ্দিনে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় তাকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একমাত্র শেখ হাসিনাই কারচুপি করে ক্ষমতায় টিকে ছিলেন। শেষমেষ দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তিনি ভারতে পালিয়ে গেছেন। আমরা এ ধরনের রাজনীতি করিনি; ঢাকায় আমার নিজের কোনো বাড়ি নেই, অথচ তাদের জাবেদ নামের এক এমপির বিদেশেই সাড়ে চারশত বাড়ি রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসব উদাহরণ এ জন্যই দিচ্ছি, যাতে মানুষ বুঝতে পারে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন লুটপাট করে তারা কীভাবে নিজেদের ভাগ্য গড়েছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মেজর (অব.) হাফিজ বলেন, আজ থেকে বিশ বছর আগে আমি যখন এমপি ছিলাম, তার পরেই কারচুপির নির্বাচন শুরু হয়। তখন তজুমদ্দিনে কোনো মাদকের বিস্তার ছিল না। কিন্তু গত পনেরো বছরে ঘরে ঘরে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতারাও মাদক খায়, কর্মীরাও মাদক সেবন করে। এসব এলাকা বাটপারের কারখানা হয়ে গেছে। আমি নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছি যারা মাদকের সাথে জড়িত, তাদের ধরে সরাসরি পুলিশের হাতে সোপর্দ করবেন।

এর আগে তজুমদ্দিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের শতাধিক অসহায়, পঙ্গু ও দুস্থ মানুষের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। পরে তজুমদ্দিনকে পৌরসভায় রূপান্তর করা এবং সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্য একটি পার্ক নির্মাণসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।