৪১তম বিসিএসের ১৪ জন পিটিশনারকে
সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নন-ক্যাডার (৯ম গ্রেড) পদে ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া
সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) এ
সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি
উম্মে রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুল এবসুলুট করে এ নির্দেশনা দেন।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সরদার, ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার ও অ্যাডভোকেট আশরাফুল করিম সাগর।
অন্যদিকে, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গোলাম
আহমেদ বুলবুল।
এর আগে, ২০২৪ সালের ১৪
জানুয়ারি একই মামলার শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো.
বজলুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ১৭০টি নন-ক্যাডার পদে কেন নিয়োগ দেওয়া হবে না—তা
জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন।
জানা গেছে, ৪১তম বিসিএস
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের অধীনে
১৭০টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্নের দাবিতে ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্টে
রিট আবেদন করা হয়। ওইদিন মো. নয়ন হাসানসহ সাতজন আবেদনকারী রিট দায়ের করেন। পরবর্তীতে
আরও সাতজন পিটিশনার রিটে যুক্ত হন।
রিটকারীরা হলেন- মো. নয়ন
হাসান, এ এফ এম মহিউদ্দিন আলমগীর, অনির্বাণ সাহা, আতিকুর রহমান, মো. তানজির হোসেন,
সম্রাট বিশ্বাস, মাইশা তাহসিন, মো. খলিলুর রহমান, মো. হাফিজুর রহমান, আফিমা সুলতানা,
অনির্বাণ সরকার, দেবাশীষ সরকার, মো. আব্দুল আউয়াল ও মো. আরিফুল ইসলাম।
রিটে উল্লেখ করা হয়, ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নন-ক্যাডার পদে আবেদন আহ্বান না করেই ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়।
অথচ বিধি অনুযায়ী শূন্য পদ ও
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের অধিযাচন থাকা সাপেক্ষে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার
কথা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি।
এ মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়,
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সচিব, শিক্ষা প্রকৌশল
অধিদফতর এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরকে বিবাদী করা হয়।
এ বিষয়ে রিটকারীদের আইনজীবী
ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির বলেন, ‘দীর্ঘদিন শুনানি শেষে মাননীয় আদালত বুধবার
রুল এবসুলুট করে সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের প্রতি নির্দেশনা জারি করেছেন। আশা করি জনপ্রশাসন
মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাসময়ে আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে।’

