...|...|...

খেলা

১২৬ কোটি টাকায় মার্টিনেজকে দলে টানল চেলসি

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১১:৩২ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ২:৫৪
Shares
১২৬ কোটি টাকায় মার্টিনেজকে দলে টানল চেলসি

ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে দলে ভেড়াতে অ্যাস্টন ভিলার সাথে চুক্তি সম্পন্ন করেছে চেলসি। ৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষককে ৭৫ লাখ পাউন্ডে (প্রায় ১২৬ কোটি টাকা) নিজেদের করে নিয়েছে লন্ডনের ক্লাবটি। ধারণা করা হচ্ছে, চেলসির মূল একাদশে গোলবার সামলাবেন মার্টিনেজ।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মার্টিনেজের সাথে দুই বছরের চুক্তি চূড়ান্ত করে চেলসি। এর ফলে অ্যাস্টন ভিলায় ছয় বছরের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটছে আর্জেন্টাইন তারকার। এর আগের দিনই মার্টিনেজের প্রতিনিধিরা চেলসির সাথে যোগাযোগ করেন। এরপর দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষ চুক্তিতে পৌঁছায়।

চলতি দলবদলে জাপানের জাতীয় দলের গোলরক্ষক জিওন সুজুকিকে দলে নেওয়ার পর থেকেই মার্টিনেজকে ছাড়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিল অ্যাস্টন ভিলা। আগস্টের শুরুতে জুভেন্টাসের সাথেও তার সম্ভাব্য দলবদল নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই চুক্তি আর আলোর মুখ দেখেনি।

অন্যদিকে চেলসিতে রবার্ট সানচেজের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠছিল। সোমবার ফুলহ্যামের বিপক্ষে - ব্যবধানের জয়ে জশ কিংয়ের তুলনামূলক সহজ শট ঠেকাতে ব্যর্থ হন এই গোলরক্ষক। এরপর তার পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা আরও জোরালো হয়।

সাবেক লিভারপুল ডিফেন্ডার জেমি ক্যারাগারও সানচেজের সমালোচনা করেছেন। স্কাই স্পোর্টসে তিনি দাবি করেন, সানচেজকে গোলপোস্টে রেখে চেলসির পক্ষে লিগ জেতাঅসম্ভব’। সাবেক ইংলিশ তারকা গ্যারি নেভিলও মনে করেন, চেলসির একজন নতুন গোলরক্ষক প্রয়োজন এবং দলবদলের সময়সীমার আগে এটিই ক্লাবটির বড় ঘাটতি।

সানচেজের অনিয়মিত পারফরম্যান্সের কারণে আগেও তাকে একাদশের বাইরে রেখেছেন একাধিক কোচ। ২০২৪ সালে মরিসিও পচেত্তিনো তার জায়গায় তুলনামূলক অনভিজ্ঞ সার্বিয়ান গোলরক্ষক জর্জে পেত্রোভিচকে খেলিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে এনজো মারেস্কা লিয়াম রোজেনিয়রও বিভিন্ন ম্যাচে সানচেজকে বেঞ্চে রেখেছেন।

২০২০ সালে আর্সেনাল থেকে কোটি ৭০ লাখ পাউন্ডে অ্যাস্টন ভিলায় যোগ দিয়েছিলেন মার্টিনেজ। ভিলার হয়ে দারুণ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আর্জেন্টিনার জার্সিতে বিশ্বকাপ, দুটি কোপা আমেরিকা ফিনালিসিমার শিরোপা জিতেছেন তিনি।

এবার চেলসিতে যোগ দিয়ে নিজের সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা কতটা ধরে রাখতে পারেন মার্টিনেজ, সেটিই দেখার অপেক্ষা।