১৮৪ রানে ৭ম উইকেট হারিয়ে যখন কোণঠাসা বাংলাদেশ, তখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে ১৭২ রানে পিছিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। সফরকারীদের বিশাল লিডের আশা ভেস্তে দেন তাওহীদ হৃদয় ও তাইজুল ইসলাম।
অষ্টম উইকেটে দুজনের ১১৭ রানের জুটিতে দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত হৃদয়ের ইতিহাস গড়া অপরাজিত ২৪২ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ৩০ রানের লিড পায় টাইগাররা।
সিলেট টেস্টের এই রূপকথার পর প্রধান কোচ ফিল সিমন্স হৃদয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশ কোচের মুখে যেন চওড়া হাসি, ‘হৃদয়ের সাথে কথা বলার সুযোগ পেলে তাকেই জিজ্ঞেস করতে পারেন, তার সাফল্যের রহস্য কী! কারণ সেটা শুধু সে-ই জানে। সে দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করেছে। ঢাকায় কিছু বাজে শট খেললেও এই ম্যাচে তাকে সেই অভিযোগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এখানে সে যথেষ্ট পরিণত ব্যাটিং করেছে।’
ব্যাটারদের স্বাধীনভাবে খেলার স্বাধীনতা দেওয়া প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, ‘আমি ব্যাটারদের আলাদা করে কোনো বার্তা দিই না। নিজেদের প্রতিভা অনুযায়ী কীভাবে খেলবে, তা তারাই ঠিক করে। ড্রেসিংরুম থেকে সব সময় বার্তা দেওয়া সম্ভব নয়। মাঠে নেমে পরিস্থিতি বুঝে দায়িত্ব নিতে হয়। হৃদয় ছাড়াও মুশফিক ও তাইজুলরা পরিস্থিতি অনুযায়ী দারুণ সব সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
সিলেট টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কত রানের লক্ষ্য দিতে চান—এমন প্রশ্নে হেসে সিমন্সের উত্তর, ‘কত রান তাড়া করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব, তা এখনই বলা কঠিন। গতবার পাকিস্তানের বিপক্ষে এখানে আমরা প্রায় ৫০০ রানের লক্ষ্য দিয়েছিলাম, তারা ৩০০-৪০০ রানের মধ্যে গিয়ে থেমেছিল।
আমার মনে হচ্ছে উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো। দেখা যাক, আগামীকাল সকালে ক্যারিবিয়ানরা কী করে এবং আমাদের সামনে কেমন লক্ষ্য দাঁড়ায়।’

