আরও দুই-একটি উইকেট পেলে প্রথম সেশনটি পুরোপুরি নিজেদের করে নিতে পারত বাংলাদেশ। সুযোগও তৈরি হয়েছিল। বল হাতে দারুণ শুরু করেন বাংলাদেশের বোলাররা। বিশেষ করে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন হাসান মাহমুদ। ৭ ওভার বোলিং করে মাত্র ১১ রান দিয়ে সেদিকউল্লাহ আতালকে ফিরিয়েছেন তিনি। তবে শুরুতে আরও কয়েকটি উইকেট নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় কিছুটা আক্ষেপ থাকছে টাইগারদের।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার একমাত্র টেস্ট শুরু হয়েছে। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের খেলা চলাকালে প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। প্রথম সেশনে ৯২.৩ ওভার ব্যাটিং করে সব উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এরপর ব্যাটিংয়ে নামে আফগানিস্তান। ইনিংসের শুরুতেই হাসান মাহমুদের বলে সেদিকউল্লাহ আতালের বিপক্ষে উইকেট পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় বাংলাদেশের। আতালের ব্যাটের কানায় লেগে বল জমা পড়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে। জোরালো আবেদনের পরও সাড়া দেননি আম্পায়ার। বাংলাদেশও রিভিউ নেয়নি। পরে রিপ্লেতে আলট্রাএজে স্পষ্ট স্পাইক দেখা যায়, যা বল ব্যাটে লাগার ইঙ্গিত দেয়।
এর আগে আতালের বিপক্ষেই রিভিউ নিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে রিপ্লেতে বল ব্যাটের কাছ দিয়েও যায়নি। ফলে রিভিউটি নষ্ট হয়। পরের সুযোগে আলট্রাএজে স্পষ্ট স্পাইক থাকা সত্ত্বেও রিভিউ না নেওয়ায় হতাশ হতে হয় দলটিকে।
সব মিলিয়ে বল হাতে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক। হাসানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে আফগান ব্যাটারদের চাপে রাখার সুযোগ তৈরি হলেও আরও কয়েকটি উইকেট নিতে পারলে প্রথম সেশনটি আরও ভালোভাবে শেষ করতে পারত বাংলাদেশ।


