শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২৮টি বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রতিটি বিভাগের প্রথম থেকে পঞ্চম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে ‘প্রমিসিং অ্যাকাডেমিকস ফ্যালিসিটেশন ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবির সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাসুদ রানা তুহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলামসহ শাখার সাবেক ও বর্তমান নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা, গবেষণা ও ক্যারিয়ার নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন অতিথিরা।
সংবর্ধনা পাওয়া শিক্ষার্থী হুমায়রা জান্নাত ইমি নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই নিজের মেধা ও পরিশ্রমের ফলে শিবিরের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা পেয়ে সত্যিই অনেক ভালো লাগছে। এই ধরনের আয়োজন আমাদের আগামী দিনে অ্যাকাডেমিক ও গবেষণামূলক কাজে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমরা যেন অর্জিত জ্ঞান দিয়ে দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারি, সে জন্য সবার দোয়া চাই।’
আরেক সংবর্ধিত শিক্ষার্থী তানভীর রহমান বলেন, ‘অতিথিদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য আমাদের ভবিষ্যতের ক্যারিয়ার ও উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা গঠনে খুব কাজে দেবে। বিশেষ করে অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি সফট স্কিল ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার যে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে, তা আমাদের আগামীর পথচলাকে আরও সুসংহত করবে। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে শিবির যেন এই ধরনের আয়োজন অব্যহত রাখে।’
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান বলেন, ‘তোমরা জাতির কর্ণধার। তোমাদের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে। তাই পড়াশোনা ও গবেষণায় ফোকাস করতে হবে। নিজেকে আগামী প্রজন্মের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিজেদেরকে সফট স্কিল অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রের একজন ভালো নাগরিক হতে হবে।’
তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রস্তুতি, উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাশাপাশি পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

