...|...|...

ক্যাম্পাস

রাবিতে শিক্ষার্থী হেনস্থার ঘটনায় প্রভোস্টের পদত্যাগসহ শিবিরের ৪ দাবি

রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৩:২৩
Shares
রাবিতে শিক্ষার্থী হেনস্থার ঘটনায় প্রভোস্টের পদত্যাগসহ শিবিরের ৪ দাবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হলে এক শিক্ষার্থীকে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগের ঘটনায় হলের প্রভোস্টের পদত্যাগসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।

দাবিগুলোর মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেওয়া, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ। একই সাথে হলের সিট বরাদ্দে মেধা ও সিনিয়রিটির ভিত্তিতে নীতিমালা বাস্তবায়নেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল এসব দাবি জানান।

মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট। প্রথমত, তাকে হল থেকে বের করতে হবে। দ্বিতীয়ত, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। ছাত্রদলের সভাপতিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ যে কর্মকাণ্ড করছেন, সেটি একটি অপরাধ। এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। তৃতীয়ত, আহত ওই শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। চতুর্থত, হলের প্রভোস্টকে পদত্যাগ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী মেধা ও সিনিয়রিটির ভিত্তিতে হলে সিট বরাদ্দ দেওয়ার কথা। কিন্তু ওই হলে এই নীতিমালা প্রয়োগ করা হচ্ছে না। এখনো অনেকে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমে রুমে অবস্থান করছেন এবং তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে সিট অ্যালটমেন্ট দেওয়া হয়নি।’

মুজাহিদ ফয়সাল আরও বলেন, ‘অন্যদিকে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ৩৭টি সিট দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রভোস্টের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টর বডির সমন্বয়ে কারা অবৈধভাবে হলে অবস্থান করছে, তাদের তালিকা করতে হবে। এরপর শূন্য আসন সাপেক্ষে আবার সার্কুলার দিয়ে ভাইভা নিতে হবে এবং মেধাতালিকার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ দিতে হবে।’ 

এছাড়াও গুলোতে আবাসিক সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় বা সংশ্লিষ্টতার পরিবর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা প্রয়োজন। অবৈধভাবে হলে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সিট বরাদ্দের দাবিও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, শিবিরের সাথে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের গণিত বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ, হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর দাবি, তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে শিবিরের সাথে যোগাযোগের তথ্য খোঁজা হয় এবং তাকে ‘শিবিরের স্পাই’ আখ্যা দিয়ে মারধর করা হয়।