...|...|...

বিশ্ব

যে ১০ কারণে বেশিরভাগ মানুষের মৃত্যু হয়

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:৩১
Shares
যে ১০ কারণে বেশিরভাগ মানুষের মৃত্যু হয়

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে অকালে ঝরে যাচ্ছে লাখ লাখ প্রাণ। শত বছরের চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতির পরও কোন নিরব ঘাতকগুলো মানুষের আয়ু কেড়ে নিচ্ছে? সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই কিছু শকিং তথ্য। ২০২৩ সালের বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি জানিয়েছে, সংক্রামক ব্যাধির চেয়েও এখন অসংক্রামক রোগ ও ফুসফুসজনিত জটিলতাই মানুষের প্রাণহানির মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর প্রধান ১০টি কারণও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর শীর্ষ ১০টি কারণ

১. হার্টের রোগ
২. স্ট্রোক
৩. দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টের রোগ
৪. ফুসফুস ও নিম্ন শ্বাসনালীর সংক্রমণ
৫. স্মৃতিভ্রমের রোগ
৬. ডায়াবেটিস
৭. শ্বাসনালী ও ফুসফুসের ক্যানসার
৮. উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ
৯. কিডনির রোগ
১০. ডায়রিয়াজনিত রোগ

এছাড়া মৃত্যুর আগেই স্বাভাবিক জীবন-যাপন নষ্ট হয়ে যায় অনেকে। কেউ কেউ বিকলাঙ্গ হয়ে যান। অনেকে কাজ করার ক্ষমতা হারান। আবার অনেকে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে যান। এছাড়া অনেকের অকাল মৃত্যু ঘটে বা তরুণ বয়সে মারা যান। এগুলোর ১০টি কারণ উল্লেখ করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা।
সেগুলো হলো—

১. হার্টের রোগ
২. স্ট্রোক
৩. ফুসফুস ও নিম্ন শ্বাসনালীর সংক্রমণ
৪. সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশুদের শারীরিক জটিলতা
৫. ডায়াবেটিস
৬. কোমর ও ঘাড়ের ব্যথা
৭. দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টের রোগ
৮. পড়ে গিয়ে আঘাত বা দুর্ঘটনা
৯. সড়ক দুর্ঘটনাজনিত আঘাত
১০. ডায়রিয়াজনিত রোগ

এদিকে ২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী গড় আয়ু ছিল ৭৩ দশমিক ৩ বছর। মৃত্যু হয়েছিল ৯৫ লাখ মানুষের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই উপাত্ত স্পষ্ট নির্দেশ করে যে, সময়মতো সচেতনতা, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং উন্নত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারলে এসব অকালমৃত্যু ও শারীরিক অক্ষমতা অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা