...|...|...

জাতীয়

ফ্যামিলি কার্ডে বন্ধ হয়েছে তালাকের প্রবণতা: চিফ হুইপ

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০:২২
Shares
ফ্যামিলি কার্ডে বন্ধ হয়েছে তালাকের প্রবণতা: চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড চালুর ফলে পারিবারিক সম্পর্কে পরিবর্তন এসেছে এবং তালাকের প্রবণতা বন্ধ হয়েছে। সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগগুলো গণমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফ্যামিলি কার্ডের প্রসঙ্গ তুলে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মায়েদের নামে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন যাতে তারা এর সুবিধা সরাসরি ভোগ করতে পারেন।

তার দাবি, এই উদ্যোগের ফলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ও পারিবারিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে এবং তালাকের প্রবণতা বন্ধ হয়েছে।

সরকারের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভালো কাজ হলে তা গণমাধ্যমে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করা উচিত এবং মানুষকে বারবার এসব উদ্যোগের কথা মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বরগুনার সার্বিক উন্নয়ন জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরাধের সাথে জড়িত কাউকে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে ছাড় দেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানি ছাড়াই সরকারি সেবা পায় তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। সরকারি দপ্তরগুলোকে সততা আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে হবে। একই সাথে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার করতে হবে।

উপকূলীয় বরগুনার উন্নয়ন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, এ অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষি, মৎস্য ও পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল যেন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। ভারতের আদানি গ্রুপের সাথে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তির সমালোচনা করে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ওই চুক্তির পেছনে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তা দিয়ে দেশে পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা সম্ভব হতো।

এ ছাড়া বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে একটি চক্র জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অবস্থান হলো, বাংলাদেশে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার এই নীতিতে দেশ পরিচালিত হচ্ছে। তার দাবি গত দুই বছরে দেশে প্রতিমা বা মূর্তি ভাঙার কোনো ঘটনা ঘটেনি।