বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত শুরুর নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সভার রেজুলেশন প্রকাশ না হওয়ায় এখনো ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় দ্রুত নতুন শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হবে, তা সভার রেজুলেশনে উল্লেখ থাকবে। রেজুলেশন হাতে পাওয়ার পরই পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবে এনটিআরসিএ।
এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা জানান, ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন অথবা নবম শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় রেজুলেশন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সংস্থাটি।
এদিকে, ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদার কারণে সুপারিশ পাওয়া ১৯৯ জন শিক্ষকের প্রতিস্থাপন কার্যক্রম নিয়েও কাজ চলছে। চলতি সপ্তাহে এ প্রক্রিয়া শেষ না হলেও আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে তা সম্পন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছে এনটিআরসিএ।
সূত্র জানায়, ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকদের প্রতিস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হলেও শূন্য পদ শনাক্ত করতে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। নতুন পদ্ধতিতে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সফটওয়্যার হালনাগাদ করা হয়েছে। ফলে ১৯৯ জন শিক্ষকের পৃথক কোড যাচাই ও এন্ট্রি করতে সময় লাগছে।
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, প্রতিস্থাপন কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরুর আগেই এটি সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।
গত মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এনটিআরসিএকে এক সপ্তাহের মধ্যে ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯৯ জনকে প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


