বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করার লড়াইয়ে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নেমেই বড় ধাক্কা খেয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে চাপে পড়ে গেছে থ্রি লায়ন্সরা। একই সঙ্গে সামনে চলে এসেছে তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের একটি হতাশাজনক পরিসংখ্যান।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ ভেঙে এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো। অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বার নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের বাঁ দিক থেকে ডান পায়ের শক্তিশালী শটে গোল করেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। তার দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে কঙ্গো ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
গোল হজমের পর ইংল্যান্ডের সামনে শুধু ম্যাচে ফেরার চ্যালেঞ্জই নয়, ইতিহাসও যেন তাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিশ্বকাপে প্রথমে গোল খাওয়ার পর শেষবার জয়ের স্বাদ পেয়েছিল তারা ১৯৬৬ সালের আসরে। সেই ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানে জিতে প্রথম ও একমাত্র বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল ইংলিশরা।
এরপর দীর্ঘ প্রায় ছয় দশক কেটে গেলেও বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করার পর আর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। ফলে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ার পর সেই রেকর্ড আবারও আলোচনায় এসেছে।
শক্তির বিচারে ইংল্যান্ডকে এই ম্যাচের স্পষ্ট ফেবারিট ধরা হলেও শুরুতেই চমক দেখিয়েছে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে খেলা ডিআর কঙ্গো। আফ্রিকার দলটি আক্রমণাত্মক সূচনা করে ইংল্যান্ডকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে দেয় এবং দ্রুত লিড নিয়ে ম্যাচে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে।


