ইউরোপিয়ান ফুটবলের অভিজাত ক্লাবে এতদিন কেবল তিনটি ক্লাব—আয়াক্স, এসি মিলান ও রিয়াল মাদ্রিদের নাম ছিল। রেড বুল অ্যারেনায় নতুন মৌসুমের পর্দা উন্মোচনী ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেই ক্লাবের নতুন সঙ্গী হলো পিএসজি। লুইস এনরিকের দল টানা দ্বিতীয়বারের মতো জিতেছে উয়েফা সুপার কাপের ট্রফি।
ম্যাচের ২০ মিনিটে খিচা কাভারাস্কাইয়ার দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় ফরাসি জায়ান্টরা। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে (৪৫ মিনিট) ব্রায়ান মাদজোর গোলে সমতায় ফেরে ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলা। ভিলার জার্সিতে প্রতিযোগিতামূলক অভিষেকেই গোল করে সুপার কাপের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ড গড়েন ১৭ বছর বয়সী এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। তবে ৬১ মিনিটে দেজিরে দুয়ের করা গোলে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি।
গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগসহ মোট পাঁচটি ট্রফি জেতা পিএসজি নতুন মৌসুমও শুরু করল শিরোপা দিয়ে। আগামী রোববার ফ্রেঞ্চ সুপার কাপে লেঁসের বিপক্ষে জয়ের আরেকটি সুযোগ রয়েছে তাদের সামনে।
ম্যাচ শেষে পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে বলেন, ‘জানি ম্যাচটি কঠিন ছিল। তবে খেলোয়াড়েরা নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করায় আমরা জয়ে ফিরেছি। সেরা শারীরিক অবস্থায় না থাকলেও আমরা নিজেদের ডিএনএ ঠিকই ফুটিয়ে তুলেছি।’
এই জয়ের সুবাদে কোচ হিসেবে নিজের ষষ্ঠ ইউরোপিয়ান ট্রফি জিতে নিলেন এনরিকে। স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন ও জিওভান্নি ত্রাপাত্তোনিও ছয়টি করে ইউরোপিয়ান ট্রফি জিতেছেন। সর্বোচ্চ ১০টি ট্রফি নিয়ে শীর্ষে আছেন কার্লো আনচেলত্তি, আর ৭টি ট্রফি নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পেপ গার্দিওলা।
তবে একটি জায়গায় অনন্য এনরিকে—তার ছয়টি ইউরোপিয়ান ফাইনালের সবকটিতেই জয় এসেছে। পেছনে ফেলেছেন জিনেদিন জিদানের টানা পাঁচ ফাইনালে পাঁচ ট্রফি জয়ের রেকর্ড।
অন্যদিকে, ম্যাচ হারলেও রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন অ্যাস্টন ভিলার কোচ উনাই এমেরি। উয়েফা সুপার কাপে এটি তার চতুর্থ হার। আর কোনো কোচ এই টুর্নামেন্টে এতবার রানার্সআপ হননি। ২০১৪ ও ২০১৫ সালে সেভিয়া, ২০২১ সালে ভিয়ারিয়াল এবং এবার ভিলার কোচ হিসেবে সুপার কাপের ফাইনালে হারলেন এমেরি।

