...|...|...

আইন ও আদালত

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দুদকের

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫:৫৭ | আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৩১
Shares
সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দুদকের

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পেতে জীবনবৃত্তান্তে (সিভি) মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) এক ব্রিফিংয়ে দুদকের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ডব্লিউএইচওতে নিয়োগের জন্য সিভিতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ২০২৫ সালের ২০ মার্চ সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে মামলা করে সংস্থাটি। তদন্ত শেষে এবার মামলাটিতে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ, ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগের জন্য জমা দেওয়া জীবনবৃত্তান্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ‘অনারারি স্পেশালিস্ট/এক্সপার্ট’ হিসেবে কাজ করার তথ্য উল্লেখ করেন সায়মা ওয়াজেদ। দুদকের দাবি, ওই অভিজ্ঞতার তথ্য মিথ্যা ও বানোয়াট ছিল এবং তা ব্যবহার করেই তিনি সংস্থাটির আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সায়মা ওয়াজেদ হোসেন ওরফে সায়মা ২০২৩ সালে ডব্লিউএইচওতে আবেদন করার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা, শিক্ষা ম্যানুয়াল তৈরি বা পর্যালোচনাসংক্রান্ত কার্যক্রমে অংশগ্রহণের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মাধ্যমে অটিজম ও স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যাবিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন হিসেবে নিয়োগ পান সায়মা ওয়াজেদ। ওই পদে দায়িত্ব পালনের সময় ডব্লিউএইচওতে জমা দেওয়া সিভিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও শিক্ষা ম্যানুয়াল পর্যালোচনার পাশাপাশি অটিজম এবং মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কারিগরি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এসব তথ্যের ভিত্তিতে সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়ার মধ্য দিয়ে মামলাটির পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছে দুদক। তবে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।