ভোলার বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর খাল থেকে সাত বছরের শিশু মো. ইসমাইল হোসেনের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রোকন (২২) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার রোকন বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নান্নু মিয়ার ছেলে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিমপাড়া এলাকা থেকে শিশু ইসমাইল নিখোঁজ হলে তার পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এর দুই দিন পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই এলাকার একটি খালে স্থানীয়রা বস্তাবন্দি একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. আকবর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বোরহানউদ্দিন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোকনকে গ্রেফতার করে।
ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোকন পূর্বশত্রুতা ও পাওনা টাকা নিয়ে ক্ষোভের জেরে শিশু ইসমাইলকে হত্যা করে মরদেহ খালে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে রোকন ছাড়া আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রহস্য উদ্ঘাটনে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক দল তদন্ত করছে।

