...|...|...

জাতীয়

দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮:১৩
Shares
দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল

এমপি গাজী নজরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় দ্বিতীয় দফায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। 

অপর দিকে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২০ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরের দিন ২১ সেপ্টম্বর তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম। গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিতীয় দফায় তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপোন হোসেন।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের পার্শ্ববর্তী ন্যাম ভবনে এমপি নজরুলের ফ্ল্যাট থেকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ২১ সেপ্টেম্বর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম ও নজরুলের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত জুনে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানের ‘প্রত্যক্ষ প্ররোচনায়’ সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সাথে বাদির বড় মেয়ে মরিয়মের (১৯) বিয়ে হয়।

৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকসুদার সাথে থাকতেন মরিয়ম। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকসুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তার পরিবারকে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইলে বাদিকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন তিনি।লাশ উদ্ধারের সময় মেয়ের বিছানার ওপর তার লেখা ‘সুইসাইড নোট’ দেখতে পান।