...|...|...

শিক্ষা

কারিগরি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানে বিলম্বের যে ব্যাখ্যা দিল অধিদফতর

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:৪৫ | আপডেট: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:০৪
Shares
কারিগরি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানে বিলম্বের যে ব্যাখ্যা দিল অধিদফতর

ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ছাড়তে দেরি হওয়ার মূল কারণ হিসেবে সময়মতো তথ্য ও ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সাবমিট না করাকে দায়ী করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান তথ্য পাঠাতে ব্যর্থ হওয়ায় পুরো বিল প্রক্রিয়াকরণে জটিলতা তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত তা সমাধানে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, প্রতি মাসের শুরুতেই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-সংক্রান্ত তথ্য ও ইএফটি সময়মতো জমা দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে একাধিকবার নোটিশ ও তাগাদা দেওয়া হলেও কিছু প্রতিষ্ঠান তা আমলে নেয় না। ফলে অধিদফতরের কর্মকর্তাদের বাধ্য হয়েই তাদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।

এ বিষয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের উপপরিচালক (এমপিও) মোহাম্মদ আবু সাঈম গণমাধ্যমকে জানান, সাধারণত প্রতি মাসের ৯ তারিখের মধ্যে নোটিশ দিয়ে ১৫ তারিখের মধ্যে বেতন সংক্রান্ত তথ্য সাবমিট করতে বলা হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট এই সময়ের মধ্যেও অনেক প্রতিষ্ঠান তথ্য জমা দেয় না। এরপর পুনরায় তাগাদা দেওয়া হলেও দীর্ঘসূত্রিতা কাটতে চায় না।

তিনি আরও জানান, অনেক ক্ষেত্রে এই অপেক্ষার সময়সীমা গড়িয়ে মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এমনকি কিছু শিক্ষক পুরো মাস পার হয়ে যাওয়ার পরও তথ্য জমা দেননি বলে পরে অধিদফতরে ফোন করে জানান। তখন বাধ্য হয়ে তাদের ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যা আলাদাভাবে সমাধান করতে হয়।

প্রায় ২২ হাজারেরও বেশি শিক্ষকের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে কাজ করতে হয় জানিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করে তা নিখুঁতভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ‘আইবাস’ (iBAS) সিস্টেমে পাঠাতে হয়। কিন্তু কোনো একটি প্রতিষ্ঠানও যদি সময়মতো তথ্য না পাঠায়, তবে পুরো প্রক্রিয়ার সমন্বয় করতে গিয়ে অতিরিক্ত শ্রম ও সময় নষ্ট হয়।

অধিদফতরের মতে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য না পাঠানোর কারণে শেষ মুহূর্তে অতিরিক্ত কাজের চাপ তৈরি হয়। এই ভোগান্তি এড়াতে শিক্ষকদের বারবার অনুরোধ করা হলেও অবস্থার আশানুরূপ পরিবর্তন হচ্ছে না। নির্ধারিত সময়ে সব প্রতিষ্ঠান তথ্য পাঠালে কারিগরি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ছাড়তে আর কোনো বিলম্ব হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।