নোবিপ্রবিকে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের সেরা ৫০০-তে নেওয়ার লক্ষ্য : নোবিপ্রবি উপাচার্য!
“সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা গ্লোবাল র্যাঙ্কিংয়ে আসতে পেরেছি। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নোবিপ্রবিকে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের সেরা ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য আমরা কাজ করছি। ” — ইম্প্যাক্টফুল রিসার্চ, গ্লোবাল র্যাঙ্কিং ফর ইউনিভার্সিটি এন্ড গভর্নমেন্ট পলিসি সাপোর্ট’ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এমন মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।
তিনি বলেন, র্যাঙ্কিং নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ চলছে। গবেষণাকে আরও ইম্প্যাক্টফুল করা, আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের সমর্থন পাওয়া যায়—এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। গবেষণা ও র্যাঙ্কিং—উভয় ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা রয়েছে। সেগুলো মোকাবিলা করে দেশ ও বিশ্ব কল্যাণে নোবিপ্রবির গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজকের প্রশিক্ষণ কর্মশালা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর ) নোবিপ্রবি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজিত সেমিনার কক্ষে ‘ইম্প্যাক্টফুল রিসার্চ, গ্লোবাল র্যাঙ্কিং ফর ইউনিভার্সিটি এন্ড গভর্নমেন্ট পলিসি সাপোর্ট’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও রিসার্চ ইনস্টিটিউশনের মধ্যে সুসমন্বয় প্রতিষ্ঠা জরুরি। রিসার্চে কমার্শিয়ালাইজেশন এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ—এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয়ের উৎস তৈরি হয়। পাশাপাশি সরকারি ফান্ডের গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবদান রাখার সুযোগও রয়েছে। তিনি তরুণ গবেষকদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের রিসার্চ যেনো নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলে। গবেষণাকে ল্যাব থেকে বাজারে নিয়ে যেতে হবে এবং উচ্চমানের জার্নালে প্রকাশ করতে হবে।”
আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুন নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ। রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য দেন সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমিন সিদ্দিকী ও ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাহদ হুসাইন। কোর্স ডাইরেক্টর ছিলেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ।
প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউটসমূহের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রভোস্টবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।


